Sunday, July 28, 2013

এবার টাকা ছাড়াই নিজের পিসিতে বসে Nokia মাল্টিমিডিয়া মোবাইল ফ্লাস দিন।


আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। সবসময় এই দোয়াই করি।
আজকের পোষ্টের বিষয়টি শুনে হয়তো চমকে উঠেছেন.. তাইনা? আসলে চমকে যাবারই কথা।
কেননা যারা নোকিয়া মাল্টিমিডিয়া ফোন ব্যবহার করে থাকেন তারা সবাই জানেন ফ্লাসের এই দূরাবস্থার কথা।
প্রতিবার ফ্লাস দিতে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০-৬০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হয় মোবাইল সার্ভিস অথবা নোকিয়া সার্ভিস পয়েন্ট গুলোতে।
এতকিছুর পরও, ফ্লাস দেবার পর সেটা কত দিন টিকবে তারও কোন নিশ্চয়তা নাই।
অনেকের কিছুদিন পর পর ফ্লাস দিতে হয়। অথচ দেখুন এভাবে ফ্লাস দিতে দিতে কতগুলো টাকা আপনাকে গচ্ছা দিতে হচ্ছে।
যাইহোক, আজকে আমি আপনাদেরকে সেই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পাবার একটি উপায় বর্ণনা দিচ্ছি। এখন থেকে আপনার পিসিতেই বসে আপনার মোবাইল টি আপনি ফ্লাস দিতে পারবেন যতবার ইচ্ছে ততবার।
এর জন্য নিচের সম্পূর্ণ লিখাগুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কিছু আলোচনা:-
আসলে আপনার ফোনে ফ্লাসের সমস্যাটি হওয়ার কারণ হচ্ছে..
ফোনটিতে কিছু Firmware File থাকে যেগুলো সচল থাকলে ফোনটির সকল ফাংশন ঠিকভাবে কাজ করে।
কিন্তু এগুলো যদি নষ্ট হয়ে যায় তারপর ফোন আর ঠিকমত কাজ করেনা। এমনকি মোবাইল চালু ও পর্যন্ত হয়না।
এছাড়াও আর অনেক সমস্যা দেখায়, যেগুলো হলো- আপনার ফোনটি চালু হয়ে সাদা স্কীন দেখাবে অথবা কয়েক বার চালু হতে এবং বন্ধ হতে থাকবে। কখনো কখনো ফাংশন ঠিক মত কাজ করবে না। আবার কখনো ফোন বন্ধ হয়ে আর চালু হবেনা।
আমরা সাধারণত এধরনের সমস্যায় পড়লে মোবাইল সার্ভিস পয়েন্ট নিয়ে যাই এবং সেখানে ফ্লাসের মাধ্যমে সেটা ঠিক করে দেওয়া হয়।
ফ্লাস কি? আসলে ফ্লাস হচ্ছে Firmware Files গুলো আপনার মোবাইলে দেওয়ার একটি প্রকৃয়া বিশেষ মাত্র। মূলত ফ্লাসের মাধ্যমে নতুন করে সেই ফাইল গুলো মোবাইলে দেওয়া হয়। এবং এর ফলে মোবাইল পূর্বের মত পুররায় সচল হয়ে যায়।
Firmware Files নির্ভর করে আপনার মোবাইলের RM এর উপর। RM মূলত বিভিন্ন মোবাইলের বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। যেমন Nokia 3110 এর RM হলো 237
আপনি যদি আপনার মোবাইলের RM নম্বরটি দেখতে চান তাহলে মোবাইলের ব্যাটারী খুলে তার নিচে RM লিখাটি দেখতে পাবেন এবং তার পাশে RM নম্বর টি ও দেথতে পাবেন।
এছাড়াও আপনি চাইলে আপনার ফোনে *#0000# টাইপ করেও দেথতে পারবেন।
Phonix এর মাধ্যমে ফ্লাস দেওয়ার বিষয়টা একটু জটিল। তাই প্রথমে এ বিষয়ে কিছু তথ্য আপনাকে জানিয়ে রাখছি।
আপনি যে কোন সেট ই ফ্লাস দিতে যান না কেন, আপনার কাছে তার RM ফাইলগুলো অবশ্যই থাকতে হবে। তবে চিন্তিত হওয়ার কারন নেই, গুগুল এ সার্চ দিয়ে আপনি আপনার যেকোন মোবাইলের RM ফাইলগুলো ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তবে Google এ কেবল শুধু RM লিখে ফাইলগুলো পেয়ে যেতে পারেন। যেমন- উদহরণস্বরুপ আপনার মোবাইল যদি নোকিয়া ৩১১০ হয় তাহলে আপনি শুধু RM-237 গুগুলে লিখে সার্চ দিলেই আপনার প্রত্যাশিত ফাইলগুলো পেয়ে যেতে পারেন।
যাইহোক, নিচে আমি দুটি লিংক দিচ্ছি যেখান থেকে আপনি কিছু মোবাইলের RM ফাইলগুলো ডাউনলোড করতে পারবেন। তবে আপনি যখন RM ফাইল ডাউনলোড করতে যাবেন তখন যদি ফাইলটি জিপ অথবা রারফাইলের অবস্থায় না থাকে তাহলে উক্ত RM এর যেগুলো সেখানে দেখতে পাবেন এর সবগুলো ফাইল ডাউনলোড করে নিবেন। মূলত কোন কোন ক্ষেত্রে ৫ টি ১০টি ইত্যাদি সংখ্যক ফাইল দেথতে পাবেন। তবে জিপ বা রার অবস্থায় থাকলে একটি ফাইল ই দেখতে পাবেন এবং সেটা ডাউনলোড করে আনজিপ করে নিলেই হবে। এবং আপনি RM ফাইলগুলো আনজিপ করার সাথে সাথেই পেয়ে যাবেন।
এগুলো মূলত বিভিন্ন সাইজের হয়ে থাকে। যেমন-২০ এমবি, ৫০ এমবি, ৮০ এমবি ইত্যাদি।
ফ্লাস দেওয়ার নিয়মাবলী:-
১। ফ্লাস দেওয়ার জন্য প্রথমে প্রয়োজন Phonix সফটওয়্যারটির, তাই নিচের লিংক থেকে ১০০ এমবির এই সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন।
২। এবার ডাউনলোড শেষে সফটওয়্যার টি আপনার পিসিতে ইনস্টল দিন। অনেক ক্ষেত্রে আপনার পিসিতে ডট ফ্রেমওয়ার্ক এর আপডেট ভার্সন না থাকার কারণে phonix সফটওয়্যার টি ইনস্টল নিবে না। তাই যাদের কম্পিউটারে Phonix সফটওয়্যাটি ইনস্টল না নিবে, তারা নিচের লিংক থেকে প্রথমে ডট ফ্রেমওয়ার্ক টি ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন, এবং তারপর Phonix সফটওয়্যার টি আপনার পিসিতে ইনস্টল দিন।
৩। এবার আপনার মোবাইলের RM ফাইল গুলো যেগুলো আপনি পূর্বেই ডাউনলোড করে রেখেছেন সেখানে যান। যদি জিপ অবস্থায় থাকে তাহলে Extract অথবা আনজিপ করে নিন।
৪। এবার RM ফাইলগুলো কে কোথায় রাখবেন নিচ থেকে তা দেখে নিন:-
C ড্রাইভের ভিতরে গিয়ে Program files ফোল্ডার টি ওপেন করুন তারপর এর ভিতরে থাকা Nokia এবং তার ভিতরে থাকা Phonix ফোল্ডার টি ওপেন করুন, তারপর Products ফোল্ডারটি দেখতে পাবেন। এবার সেখান থেকে Products ফোল্ডারটির ভিতরে গিয়ে একটি ফোল্ডার তৈরি করুন। এবং আপনার RM অনুযায়ী সেটার নাম দিন। (যেমন উদাহরণস্বরুপ Nokia-3110 মোবাইলের RM-237, তাই ফোল্ডার টির নাম হবে RM-237)
আপনার মোবাইলের RM অনুযায়ী ফোল্ডার নাম পরিবর্তন করার পর, আপনার ডাউনলোড করা RM ফোল্ডারটি আনজিপ করে ফাইলগুলো ঐ ফোল্ডার টি তে কপি করে রাখুন।
নিচে দেখে নিন আপনার RM ফোল্ডারটির লোকেশন কিরূপ দেখাবে।
C:\Program Files\Nokia\Phoenix\Products\RM-237
উল্লেখ্য যে আপনার মোবাইলের RM টি RM-237 এর স্থানে দিন।
বিষয়টা বুঝতে অনেকের একটু কষ্ট হচ্ছে..তাইনা? আসলে আমরা যখন Phonix সফটওয়্যার টির ইনস্টল দিয়েছি তখন অটোমেটিক ভাবে C ড্রাইভের ভিতরে থাকা Program Files নামক ফোল্ডারটিতে Phoenix এবং এর ভিতরে Products নামক ফোল্ডার গুলো তৈরি হয়ে গিয়েছে।
আপনি C ড্রাইভে ঢুকে পর্যায়ক্রমে উপরের লোকেশন অনুযায়ী ঢুকলে Products ফোল্ডারটি দেথতে পাবেন।
এবং সেই ফোল্ডার টির ভিতরে আপনার ডাউনলোড কৃত RM ফোল্ডারটি আনজিপ করে রাখবেন। পরবর্তীতে সেই লোকেশন থেকে RM ফাইলগুলো Phonix প্রোগ্রামটি তে চলে আসবে। আশা করি এবার বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন।
৫। এবার ডেস্কটপ থেকে Phonix প্রোগ্রামটি আপনার পিসিতে রান করান।
তারপর একটি ভালো USB ক্যাবল দিয়ে আপনার মোবাইল টি পিসির সাথে কানেক্ট করুন।
এবং নিচের চিত্র অনুযায়ী No connection সিলেক্ট করুন।
৬। এবার নিচের চিত্রটির ন্যায় ফাইল মেন্যুতে গিয়ে Open product এ ক্লিক করুন।
৭। তারপর নতুন একটি উইন্ডো আসবে। আপনি সেখান থেকে আপনার মোবাইলের RM টি সিলেক্ট করে নিন নিচের চিত্রটির মত করে।
৮। এবার মেন্যু থেকে Flashing মেন্যুতে ক্লিক করুন এবং Firmware update লিখাটি সিলেক্ট করুন নিচের চিত্রটির মত করে।
৯। তারপর নিচের চিত্রে মার্ক দিয়ে যে তিনটি ডট চিহ্ন কে বুঝানো হয়েছে ঠিক আপনিও সেই ডট চিহ্নিত স্থানটি তে ক্লিক করুন।
১০। এবার নিচের উইন্ডোটির মতো একটি উইন্ডো আসবে। আপনি সেখানে আপনার variant অথবা product code ফাইলটির উপর ক্লিক করুন।
১১। তারপর নিচের চিত্রটির মত Dead phone USB Flashing এর ঘরটিতে টিক চিহ্ন দিন। নিচের চিত্রে এই স্থানটি কে এক নম্বর দিয়ে দেথানো হয়েছে।
তারপর Refurbish এ ক্লিক করুন, নিচের চিত্রে সেই স্থানটি ২ নম্বর দিয়ে দেখানো হয়েছে।
১২। এরপর আপনার সামনে নিচের মত একটি ডায়ালগ উইন্ডো আসবে, আপনি সেই লিখাগুলো অনুযায়ী পরবর্তী কয়েকটা ধাপ করে নিন।
যেমন, সেখানে যে লিখাগুলো থাকবে সেগুলো হচ্ছে-
USB এর লাইন বিচ্ছিন্ন করতে বলবে, তারপর মোবাইল থেকে ব্যাটারী টি আলাদা করতে বলবে, তারপর পুনরায় USB কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করতে বলবে। এবং তারপর ব্যাটারী টি মোবাইলে প্রবেশ করানোর জন্য বলবে।
সবশেষে মোবাইলের পাওয়ার সুইচে ৮ সেকেন্ড চাপ দিতে বলবে এবং ok লিখাটিতে ক্লিক করতে বলবে।
আপনি এগুলো পর্যায়ক্রমে করে নিন।
১৩। এরপর মোবাইলে ফ্লাস নেওয়া শুরু হবে এবং নিচের চিত্রটির মত দেখাবে। আপনি ফ্লাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
১৪। ফ্লাসের শেষ পর্যায়ে আপনি নিচের চিত্রটির মত একটি উইন্ডো দেখবেন। আপনি সেখানে ok তে ক্লিক করুন।
তারপর আপনার মোবাইল টি রিস্টার্ট নিবে। এবং ফ্লাস সাকসেসফুল দেখাবে।
পোষ্টটি করব একথা শুধু বলেই আসছিলাম। কিন্তু আজকে তা করেই ফেললাম। এই পোষ্টটির করার জন্য পাঠক পর্যায় থেকে আমি ব্যাপক সাড়া পেয়েছিলাম তাই কষ্ট হলেও এত বড় পোষ্টটি করতে বিন্দু মাত্র অলসতা করিনি। আশা করছি পোষ্টি পেয়ে সবাই খুশি হবেন।

Thursday, July 25, 2013

আসুন দেখি কিভাবে ফোল্ডারের কালার পরিবর্তন করে !!!


আসসালামলাইকুম, কেমন আছেন সকলে আশা করি অনেক ভাল।
আপনারা অনেকেই উইন্ডোজ Xp এর একই ফোল্ডারের রঙ দেখতে দেখত বোরিং হয়ে গেছেন তাই না। এবার আসুন ফোল্ডার গুলোর কালার পরিবর্তন করি ১ মেগাবাইট এর একটি সফটওয়্যার দিয়ে  আর বদলে ফেলুন ফোল্ডারের রঙ ।। নিচে আপনাদের জন্য একটি স্কিন শট দিলাম দেখেন ফোল্ডার গুলো দেখতে কেমন লাগে।
http://s20.postimg.org/txgtk857x/Untitled_1.jpg
যদি  ভাল লেগে থাকে তাহলে ১.৪৮ এমবি এর সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করুন ঝট পটে।
ডাউনলোড করুন : এখান থেকে

উইন্ডোজ ৮ এর Start Screen ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করুন যেকোন ছবি দিয়ে নিমিষেই !!!


আসসালামু আলাইকুম,
Windows 8 এর  স্টার্ট স্ক্রীন একই ছবি দেখতে দেখতে আপনার বোরিং লাগা অস্বাভাবিক কিছু নয়! যদিও উইন্ডোজে ডিফল্টে কয়েকটি আরও ছবি দেওয়া থাকে, কিন্তু সেগুলা কি আর ভালো লাগে বলুন তো! এজন্য চাই নতুনত্ব, ইস! যদি আপনি নিজের ইচ্ছা মত Start Screen ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করতে পারতেন, আর লাগিয়ে দিতেন চমক প্রদ কোন ছবি। অন্যদিকে এটি দেখে আপনার বন্ধুদের চোখ তো একবারে কপাল টপকে মাথায় উঠে যাবে!!!! ;)
 start Screen change
.
আজ হয় তো বাংলাদেশের ব্লগিং জগতে এই বিষয়ে প্রথম লেখা হচ্ছে।  তাই আগেই বলছি, আজকের পোস্ট আমি সম্পূর্ণ নিজ অভিজ্ঞতার অপর ভিত্তি করে লিখছি। লেখায় কোন ভুল-ত্রুটি হলে মাফ করবেন। আর কোন সমস্যায় পড়লে, আমি তো আছিই! একটি  ছোট্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে আজ আমরা উইন্ডোজ ৮ এ স্টার্ট স্ক্রীনের নতুন রূপ দেবো। নিজের ইচ্ছা মত ছবি অ্যাড করে আপনি Windows 8 কে দিতে পারেন প্রফেশলান লুক!!!
আজ যে সফটওয়্যারের মাধ্যমে আমরা উইন্ডোজ ৮ এর Start Screen ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করবো, সেটার নাম হল– windowsa 8 Start Screen Customizer। এর সাইজ হল– ৩.৩ এমবি। এটি দিয়ে শুধু Start Screen ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন নয়, সাথে আরও নতুন ফিচার আছে। যেমনঃ Start Screen এর Opacity কম বাড়া করা অর্থাৎ, ইনভিসিবল বা আংশিক ইনভিসিবল বা ভিসিবল করাকে বোঝায়। এরকম আরও ফিচার আছে, যা আমরা পরে বিস্তারিত জানবো।

set

.

কিভাবে যেকোনো ছবি দিয়ে উইন্ডোজ ৮ এর Start Screen ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করবেন???

১। প্রথমে নিচের লিঙ্ক থেকে W8 Start Screen Customizer সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন। [সাইজ- 3.3 MB]
gu2JV
২। এখন পোর্টেবল সফটওয়্যারটি ওপেন করুন এবং ছবির সংকেত ধাপ অনুযায়ী কাজ করুন—-
 .

Step No.(1)

ss (1)
ss (7)
  • ‘Load Picture’ এ ক্লিক করে আপনার ইচ্ছা মত ছবি বেছে নিন, যেটা দিয়ে Start Screen ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করতে চান। রেজুলেশনটা অবশ্যই আপনার মনিটর স্ক্রীন অনুযায়ী হতে হবে।
 .

Step No.(2)

ss (2)
  • রেজুলেশন অ্যাডজাস্ট করতে সর্বাধিক বড় আকার করে ছবির সাইজ নির্ধারণ করুন। সর্বচ্চ রেজুলেশন সাইজ নির্ধারণ আপনাকে ভালোভাবে করতে হবে, মিস্টেক করলে চলবে না।

.

Step No.(3)

ss (3)
  • এখন আপনি কয়টি Rows (কলাম) চান তা নির্ধারণ করুন। ডিফল্টভাবে 4টি নির্ধারণ করুন।
  • Start Screen Opacity দিয়ে আপনি ডেক্সটপের উপর স্টার্ট স্ক্রীনের ভিসিবিলিটি নির্ধারণ করতে পারবেন। ডিফল্টভাবে এটি অফ বা, 255 থাকে।
  • Tiles Opacity দিয়ে আপনি স্টার্ট স্ক্রীনের ছবির উপর ওই অ্যাপগুলার ভিসিবিলিটি নির্ধারণ করতে পারবেন। ডিফল্টভাবে এটি অফ রাখা উচিত।

.

Step No.(4)

ss (4)
  • সব কিছু ঠিকঠাক ভাবে করে আপনি ‘Apply & Save’ এ ক্লিক করুন। এতে আপনার Start Screen ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন হয়ে যাবে। এবং আপনি স্টার্ট স্ক্রীনে তা দেখতে পাবেন।

.

Step No.(E)

sso (6)
  •  ছবিতে ‘E’ অর্থে  খুব ইম্পরট্যান্ট এবং বোনাস সুবিধাকে বুঝিয়েছি। এখানে ‘Run at Startup’ এ টিক দিতে হবে, কখনোই মিস্টেক করবেন না। তা না হলে  ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন  হবে না। এছাড়া যদি কারও শখ হয় তাহলে তিনি ডেক্সটপ ওয়ালপেপার, Gaussian Blur বা জাপসা ধরনের ইফ্যাক্ট , রেন্ডম স্লাইড শো ইত্যাদি বোনাস সুবিধা যোগ করতে পারেন।

.

Step No.(5)

ss (5)
  • সর্বশেষে কাজ হয়ে গেলে সফটওয়্যারটি Exit করুন এবং PC রিস্টার্ট দিন।
  • ব্যাস!! রিস্টার্টের পরেই দেখবেন চমক!!!
 .
উপরের কার্যকলাপ অনুযায়ী আপনি কাজ করলে, ১০০% গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারবো যে, আপনি ইন্ডোজ ৮ এর Start Screen ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করতে সফল হবেন। এজন্য লাইন বাই লাইন মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। আমি একটানা ৮ ঘণ্টা ধরে এ বিষয়ে লিখেছি। আশা করি আমার মেহনতের সুফল আমি ও আপনি দুজনই পাবো। আপনাদের জন্য Start Screen ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করার আরও কিছু  স্ক্রীন শট নিচে দিলাম। এতে আপনি আরও ক্লিয়ার বুঝতে পারবেন।।
.
Hot Example
black Example

যেহেতু, আজকের পোস্ট আমি সম্পূর্ণ নিজ অভিজ্ঞতার অপর ভিত্তি করে লিখছি। লেখায় কোন ভুল-ত্রুটি হলে মাফ করবেন। কোন সমস্যা দেখা দিলে আমাকে অবশ্যই ইনফর্ম করবেন। ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন সংক্রান্ত কোন প্রবলেম হলে আমি মন্তব্যের মাধ্যমে সমাধান দিয়ে দেবো। আরেকটা কথা, যারা এখনও winows 7 কে বিদায় দিতে পারছেন না, তাদের Windows 8 ব্যবহার করার সাদর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আগে যেমন XP ছেড়ে 7 এ আসতে কষ্ট হয়েছিল, এখন আপনাদের 7 ছেড়ে 8 এ আসতেও মনে হয় কষ্ট  হবে। তবে এত সুন্দর ফিচার পেলে হয় তো ওসব কষ্টকে লাথি মারতে পারবেন। আগামিতে আরও সুন্দর সুন্দর উইন্ডোজ ৮ এর মেগা ট্রিক্স নিয়ে হাজির হব। পোস্টটি ভালো লাগলে বেশি করে LIKE ও SHARE করুন। Have Fun! Enjoy!!! :P
আজকের পোস্ট আপনার কেমন লাগলো তা মন্তব্য করে অবশ্যই জানাবেন। আর যেকোনো সমস্যার সমাধান পেতে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।
আপনাদের জন্য অসংখ্য শুভ কামনা করছি ।
পোস্টটি পড়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ।


1ST Post here [ www.pchelplinebd.com ]

‘Not Responding’ প্রোগ্রাম বন্ধ হতে চাচ্ছে না??? শুধুমাত্র এক ক্লিকেই ডান্ডা মেরে ঠাণ্ডা করুন!!!


আসসালামু আলাইকুম,
আপনার পিসিতে কি ‘Not Responding’ প্রোগ্রাম বন্ধ হতে চাচ্ছে না, হাজার বার Close(x) করা সত্ত্বেও নির্লজ্জের মত প্রোগ্রাম হ্যাং হয়ে আটকে থাকে? তাহলে আজকের এই মাল-মসলা পূর্ণ সফটওয়্যারটি আপনার জন্যই অপেক্ষা করছে। বজ্জাৎ! ‘Not Responding’ প্রোগ্রামগুলাকে শুধু এক ক্লিকে ডান্ডা মেরে ঠাণ্ডা করুন এই Task ForceQuit Pro নামের ১.৩৬ এমবি সফটওয়্যার দ্বারা!!! ;)
responds
Task ForceQuit Pro সফটওয়্যারটির ব্যবহার খুব সহজ! যখন কোন প্রোগ্রাম বা সফট কাজ করে না, ’Not Responding’ বা হ্যাং হয়ে আটকে থাকে তখন সফটওয়্যারটি ওপেন করে ওই প্রোগ্রামটির লোগো দেখতে পারবেন। ওটার ডান পাশে Froce Quit এ ক্লিক করলেই ওই বজ্জাৎ সফট বা প্রোগ্রাম বন্ধ হয়ে যাবে। অথবা, সফট বা প্রোগ্রামটি আবার চালু অর্থাৎ, Restart করতে চাইলে নিচে Restart এ ক্লিক করলে সেটি নতুন ভাবে চালু হবে।

=>রেজিস্ট্রেশন
|| পদ্ধতি-১ ||যদিও ফ্রীওয়ার সফটওয়্যার তবে, এটি ফ্রী রেজিস্ট্রেশন চাইবে! আপনি খুব সহজে আপনার Email বা অন্য ফেক মেইল দিয়ে ফ্রী রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। কিন্তু সতর্ক করে দিলাম, এর ফলে প্রতিদিন  আপনার ওই ইমেইলে নানা নিউজ লেটার মেইল চলে যাবে, যা বিরক্তি কর। এজন্য Fake Email ব্যবহার করাই উত্তম।
taskquitpro

|| পদ্ধতি-২ || আপনি Email দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে ইচ্ছুক না হলে একটি রেজিসট্রি ট্রিক্সের মাধ্যমে অ্যাক্টিভ করতে পারবেন। এটির জন্য Notepad খুলে তাতে নিচের লেখাটি paste করুন এবং সেটি Quit.reg নামে ‘Save As’ করুন।  খেয়াল রাখুন এক্সটেনশন যেন .reg হয়।
Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_CURRENT_USER\Software\Softorino]
@=”success”
“cebe7d8a28c5ba83ba5497de5ca58ca04_Tweet”=”0″

|| পদ্ধতি-৩ || যদি Email দিয়ে রেজিস্ট্রেশন ও  রেজিসট্রি ট্রিক্সের মাধ্যমে না করতে চাইলে, জাস্ট এক ক্লিকে রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। এজন্য এখান থেকে রেজিসট্রি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

152179h4qroi8q2b
3
Task ForceQuit Pro সফটওয়্যারটির বর্তমান ভার্সন ২.০ । এর সাইজ মাত্র ১.৩৬ এমবি। শুধু ইন্সটল করবেন, এবং বজ্জাৎ! ‘Not Responding’ প্রোগ্রামগুলাকে শুধু এক ক্লিকে ডান্ডা মেরে ঠাণ্ডা করবেন!!! :P
50288
152179h4qroi8q2b


[[ COPY - PASTE FROM www.pchelplinebd.com ]]

চলুন একটু ঘুরে আসি ইন্টারনেটের রহস্যময় অন্ধকারজগতে


প্রথমেই বলে নিচ্ছি “এই পোস্টের তথ্য ব্যাবহার করে যদি আপনি কোন প্রকার ক্ষতির সম্মুখীন হন তাহলে আমি কিংবা পিসিহেল্পলাইনবিডি কোন ভাবেই দায়ী নয়“। যা করবেন নিজ দায়িত্বে করবেন। এই পোস্টটি শুদু মাত্র ব্ল্যাক ওয়েব সম্পর্কে জানার জন্য, কোন প্রকার খারাপ কাজে বেবহারের জন্য নই। আমি ও ডার্ক ওয়েব সম্পর্কে তেমন জানিনা, অনেক ব্লগ সাইট ঘুরে এবং কিছু কিছু ব্ল্যাক সাইট ঘুরে যা জানতে পেরেছি তাই আপনাদের জানানোর চেষ্টা করছি।
আসেন আজ ঘুরে আসি ইন্টারনেটের রহস্যময় অন্ধকারজগতে বা ব্ল্যাক ওয়েবে। ব্ল্যাক ওয়েব হল ইন্টারনেটের সেই অংশ যেখানে আপনি সাধারণ উপায়ে যেতে পারেন না। জেনে অবাক হয়ে যাবেন যে আপনি যখন কোন বিষয়ে সার্চ দেন আর গুগল তার লক্ষ লক্ষ ফলাফল আপনার সামনে হাজির করে তা ইন্টারনেটে থাকা মোট তথ্যের মাত্র ১০ শতাংশ থেকে প্রাপ্ত। এক জরিপে জানা গেছে দৃশ্যমান ওয়েবে যে পরিমাণ ডেটা সংরক্ষিত আছে তার চেয়ে ৫০০ গুণ বেশী ডেটা সংরক্ষিত আছে অদৃশ্য ওয়েবে। প্রকৃতপক্ষে এই দৃশ্যমান নেট হল মহাসাগরে ভেসে থাকা এক খন্ড হিমবাহ আর ডীপ ওয়েব হল মহাসাগর খোদ নিজে!
কি শুনে মাথা ঘুরে গেল ?
না মাথা ঠাণ্ডা রাখুন সামনে আর মাথা খারাপ করা তথ্য আছে।

এবার চলুন দেখি ব্ল্যাক ওয়েব কি ?

ব্ল্যাক ওয়েবে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা হই,  তা হলঃ

1  The Deep Web

2 The Dark Web

ডীপ ওয়েব হল ইন্টারনেটের এমন একটা অংশ যা আপনি সার্চ করে পাবেন না , এগুলার লিঙ্ক থাকলে আপনি এখানে জেতে পারবেন ।
আর ডার্ক ওয়েব হল ইন্টারনেটের এমন একটা অংশ যেখানে আপনি সাধারণ ব্রওসার দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেননা। এবং এই অংশটিতে প্রবেশ করতে হলে আপনাকে বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যাবহার করতে হবে।
ভিবিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষ ও গ্রুপ চিন্তা করেচে যে ইন্টারনেটে এমন একটি সিস্টেম দরকার যেখানে তারা খুব গোপনে তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা করতে পারবে। বিপ্লবী, হ্যাকার, এমনকিই খোদ প্রশাসনই এমন এক ব্যবস্থা চেয়েছে যেখানে গোয়েন্দারা খুব গোপনে নিজেদের ভেতর তথ্য আদান প্রদান করতে পারবে অথবা চুরি যাওয়া তথ্য ফিরে পেতে দর কষাকষি করতে পারবেন অপরাধীদের সাথে। আর এভাবেই উৎপত্তি হয়েছে এই অজানা অংশের। সাথে সাথে এটা প্রলুব্ধ করেছে ওই সমস্ত অপরাধীদের যারা ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে মূল ইন্টারনেটে আসতে করতে সাহস পায় না।

ডার্ক ওয়েব ?

আপনার প্রচলিত ওয়েব ব্রাউজার দিয়ে এই সমস্ত সাইটে ঢুকতে পারবেন না। এরা ইন্টারনেটের সমস্ত প্রথার বাইরে অবস্থান করে। আর এদের ঠিকানাও থাকে এতটাই উদ্ভট (যেমন dfsgsdfgdsfgfd65dfsg54s.onion) যে সাধারণ মানুষের পক্ষে এগুলো মনে রাখা কঠিন। এই অংশটিই ইন্টারনেটের প্রকৃত অদৃশ্য অংশ। বিশেষ কিছু জ্ঞান( যেমন প্রোগ্রামিং, নেটওয়ার্কিং, প্রক্সি) না থাকলে আপনি এই নেটওর্য়াকে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই অংশের আরেকটি বিশেষত্ব হল এরা ওর্য়াল্ড ওয়াইড ওয়েবের সাইটগুলোর মত টপ লেভেল ডোমেইন (যেমন .com) ব্যবহার না করে “Pseudo Top Level Domain” ব্যবহার করে যা কিনা মূল ওর্য়াল্ড ওয়াইড ওয়েবে না থেকে দ্বিতীয় আরেকটি নেটওর্য়াকের অধীনে থাকে। এ ধরণের ডোমেইনের ভেতর আছে Bitnet, Onion, Freenet প্রভৃতি।

কি হই এখানে ?

আপনি যা ককনো কল্পানাও করতে পারেননি তাও হই এখানে, এইখানে সব হয়। গান্জা, হেরোইন থেকে শুরু করে এ.কে ৪৭, রকেট লঞ্চার, সুপারি কিলার সবই পাওয়া যায়।
এইখানে যে পরিমান হ্যাকিং টেকনিক রমরমিয়ে বিক্রি হয় তা সাধারনত দৃশ্যমান ওয়েবে সারাদিন পাগলের মত ঘুরলেও পাবেন না। রয়েছে নিষিদ্ধ বই ও দ্রব্যের সম্ভার। আরো আছে বিকৃতরুচির বিনোদোন! শিশু পর্ণোগ্রাফি থেকে শুরু করে নানা ধরনের Genital Mutilation এর ভিডিও যা কিনা সারফেস ওয়েবে নেই, তা এখানকার হট টপিকস।
অনিয়ন নেটওর্য়াকে থাকা ব্ল্যাক মার্কেটগুলোর ভেতর সবচেয়ে জনপ্রিয় হল Silkroad, ফোর্বসের হিসেবে এখানে গত বছর ২২ মিলিয়ন ডলারের বেচা-কেনা হয়েছিল। আর এখানে প্রচলিত মুদ্রায় বেচাকেনা হয় না, বেচাকেনা হয় Bitcoin নামক একধরণের ভার্চুয়াল মুদ্রাতে। মাইক্রোসফট, অ্যাপেলের প্রোডাক্ট এখানে ৮০% পর্যন্ত ডিস্কাউন্টে পাওয়া যায়।
উইকিলিকস ঘোষণা করেছে যে এ বছর তারা আরো নতুন ডেটা প্রকাশ করবে, কিন্তু আপনিই হয়তো বিস্ময়ভরে দেখতে পারবেন উইকিলিকস এর এই সমস্ত ডেটা এই ডার্ক ওয়েবে আছে বেশ কিছু বছর আগে থেকেই। যেকোন বইয়ের একদম লেটেস্ট এডিশন যা কিনা সারফেস ওয়েবে কপিরাইট ল’এর কারণে নেই তা দেখবেন এখানে দেদারসে আদান প্রদান হচ্ছে।

মোটকথা আপনি এমনই এক জগতে প্রবেশ করবেন যেখানে আপনাকে প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলার আগে দুবার ভেবে নিতে হবে।সাধারণ ওয়েবে যেসব হ্যাকিং টেকনিক দেখতে পান তা হল এই ডার্ক ওয়েব থেকে লীক হওয়া ১% তথ্যের অংশ মাত্র। এখানকার হ্যাকাররা খুবই ভয়ংকর এবং প্রোগামিং এ তাদের কোন জুড়ি নেই, সাবধান আপনার মেইল বা পিসি-এ হ্যাক হয়ে যেতে পারে।
এবার একটু মন চাচ্ছে ত এখান থেকে গুরে আসতে ? ওকে চলুন’ আমি আগেই বলেচি যে আমাদের সাধারণ ব্রাউজার দিয়ে এই ডার্ক ওয়েবে প্রবেশ করা সম্ভব না ” মজিলা টযিলা দিয়ে হবে না। তাহলে কেমন করে যাবেন এই ডার্ক ওয়েবে ? চিন্তা নাই আমি ত আছি এখান থেকে টর ব্রাউজারটি ডাউনলোড করে নিন

Tor Browser

ব্যাস ডাউনলোড করা শেষ হলে ব্রাউজারটি ওপেন করুন। ও দাঁড়ান নিজের নিরাপত্তার জন্য আপনার ম্যাক এড্রেসটি পরিবর্তন করে নিন। আপনি অনেক ভাবেই ম্যাক এড্রেস পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে যারা ম্যাক এড্রেস পরিবর্তন করতে জানেন না তারা নিছের এই সফটওয়্যাটি ব্যাবহার করুন।

ডাউনলোড

এবার টর ব্রাউজারে এড্রেসবারে লিখুন http://silkroadvb5piz3r.onion/
লগইন পেজ খুলছে ? একটা একাউন্ট রেজিস্টার করেন তারপর লগ ইন করে ফেলেন। তারপর যা দেখার করার আপনি করুন।
নিচে কিছু সাইটের লিঙ্ক দিলাম।
অ্যাপেলের আইফোন ৫ দাম ৩৩০ ডলার
বিশ্বাস হয় না?
এখানে যান http://tfwdi3izigxllure.onion.to/
আমেরিকার সিটিজেনশিপ চান ?
দাম ১০০০০ ডলার নিচের অ্যাড্রেসে গুরে আসুন
http://xfnwyig7olypdq5r.onion.to/
ইউ.কে পাসপোর্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স চান?
নিচের অ্যাড্রেসে ঘুরে আসুন
http://vfqnd6mieccqyiit.onion.to/
কাউকে একটু ……… প্রফেশনাল হ্যাকার ভাড়া চান ?
নিচের অ্যাড্রেসে ঘুরে আসুন
http://2ogmrlfzdthnwkez.onion.to/
দয়া করে আর কোন কিছুর লিঙ্ক আমার কাছে চাইবেন না। যদি খুব বেশি ঘুরতে মন চাই তাহলে আর খুঁজে নিন।

তবে খুব সাবধান।

কখনো নিজের নাম বা এড্রেস ব্যাবহার করবেন না।
অবশ্যই ডার্ক ওয়েবে ঢোকার আগে জাভাস্ক্রিপ্ট, ফ্ল্যাশ, শকওয়েভ বন্ধ করে নিবেন
প্রক্সি সার্ভিস ব্যবহার করুন।
আবারো বলছি
“এই পোস্টের তথ্য ব্যাবহার করে যদি আপনি কোন প্রকার ক্ষতির সম্মুখীন হন তাহলে আমি কিংবা পিসিহেল্পলাইনবিডি কোন ভাবেই দায়ী নয়”


 [ COPY - PASTE FROM www.pchelplinebd.com ]