Friday, August 2, 2013

তৈরি করে ফেলুন ওয়েব টেম্পলেট শুধু একটি মাত্র একটি সফটওয়্যার ব্যাবহার করে, HTML,CSS জ্ঞান ছাড়াই।


HTML,CSS জ্ঞান ছাড়াই করেফেলেউন ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব টেম্পলেট-মাত্র একটি সফটওয়্যার ব্যাবহার করে।
কেমন আছেন সকলে, আশাকরি অনেক অনেক ভাল আছেন। না থাকলে ভাল হয়ে যাবেন আমার এই পোস্ট টা পেয়ে।

আমরা অনেকেই ওয়েব ডিজাইন করতে পারি না । ওয়েব ডিজাইন করতে হলে কিছু কোডিং এর সাথে ফটোশপ জানতে হয় । কিন্তু তা কয়জনে পারে ? কিন্তু এই Artisteer v4  দিয়ে আপনি Html, Xhtml , CSS ও ফটোশপ না জেনেই খুব সহজে তৈরি করতে পারেন ওয়েব ডিজাইন টেমপ্লেট,জুমলা টেমপ্লেট, ড্রুপাল থিমস , ওয়ার্ডপ্রেস এবং ডটনেটনাড স্কিন কোনো প্রকার দক্ষতা ছারাই । Artisteer –ই একমাত্র অটোমেশন প্রোডাক্ট যা দিয়ে তাৎক্ষনিক দৃষ্টিনন্দন ও ইউনিক ওয়েবসাইট এবং ব্লগ থিমস তৈরি করা যায় ।
আসুন জেনে নেই এর কিছু ফিচার সম্পরকেঃ-
১। মিনিট এর মধ্যেই তইরী করতে পারবেন আপনার সাইট এর টেম্পলেট।
২। ব্লগার, জুমলা, ওয়ার্ডপ্রেস এবং অন্যান্য সিএমএস এর জন্নে টেম্পলেট ব্যাবহার করা যায়।
৩। কোন ফটোশপ, সিএসএস, এইচটিএমএল বা অন্যান্য প্রযুক্তির শেখার প্রয়োজন নেই।
৪। খুব সহজেই পেজ,কণ্টেণ্ট, লেআঊট গুলো পরিবর্তন করতে পারবেন।
৫। এর মাধ্যমে আপনি পাবেন অসংখ্য অনলাই টেম্পলেট যা সহজেই মডিফাই করতে পারবেন ও আপনার পসন্দ মতো গড়ে তুলতে পারবেন।
৬। ব্যাবহারে অনেক মজা ও কাজ করতেউ অনেক মজা পাবেন।
সফটওয়্যার টির সম্পর্কে আর বিস্তারিত জানতে পারবেন তাদের অফিসিয়াল সাইট এর লিংক এ এখান থেকে। এছাড়া আপনার যদি ব্যাবহারে কোন প্রব্লেম হয় তাহলে আপনি youtube এ সার্চ করে দেখতে পারেন বা কমেন্ট করুন আমি ভিডিও আপলোড করে দিব। এই সফটওয়্যার টির বাজার প্রাইছ  Home & Academic
Edition 49.95$ ও  Standard Edition 129.95 $ যার টাকায় হয় ৩৮৯৬ টাকা ও ১০১৩৬ টাকা মিনিমাম, কি টেনশনে পরে গেলেন নাকি, আরে ভাই সমস্যা নাই আমি এখানে আপনাদের কি ফাইল সহ দিয়ে দিচ্ছি, যার মাধ্যমে আপনি একদম ফ্রি পাবেন এই সফটওয়্যার টি।
কিছু ইনফর্মেশন
এটি ব্যাবহার এর জন্নে আপনার পিসি এর রেম মিনিমাম ২জিবি হওয়া ভাল, তা না হলে অনেক সময় এই স্লও এবং হাং এর সমস্যা হতে পারে। আবার অনেকের সমস্যা নাও হতে পারে।
বিদ্রঃ এই সফটওয়্যার টি অনেক কজের হলেও HTML,CSS কে ছোট বা ও ওকাজের মনে করা ঠিক না, যতই বলেন এইচটিএমএল, ও ছিএসএস কিন্তু বস।
তাহলে দেরি কেন আজকেই ডাউনলোড করে নিন
সফটওয়ারটি FileSwap এ আপলোড করা আছে ১২০ এমবি
ডাউনলোড করুন এখান থেকে।

Windows 7 এ পেনড্রাইভে দ্রুত ডাটা ট্রান্সফার করার টিপস


আসসালামু আলাইকুম,
আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি।  সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আবারো লিখতে বসলাম । আমরা সবাই চাই পেনড্রাইভ অথবা মেমোরি কার্ডে দ্রুত ডাটা/ফাইল ট্রান্সফার করতে । আর এর জন্য ব্যবহার করি  হরেক রকমের সফটওয়্যার,টিপস ও কপিয়ার । মূলত আমরা সবাই চাই দ্রুত যেন কাজ সারে । আজকে আপনাদের এই রকম একটি টিপছ শেয়ার করব । চলুন আর কথা না বাড়িয়ে আজকের টিপছটা শুরু করি ।
এই টিপসটি একটু অন্যরকম হলেও অনেক সহজ । প্রথমে নিচের ছবিটা দেখুন এবং পার্থক্য খুজুন ?hhhh
একটি কম্পিউটার থেকে3.25 জিবির একটা ফাইল পেনড্রাইভে ট্রান্সফার করার দুইটি দৃশ্য । ১ নং ছবিতে তে ফাইলটি ট্রান্সফার হতে 6 Minutes  30 Second  লাগে । এবং Speed-13 MB/Second । ২  নং ছবিতে তে একই ফাইল ট্রান্সফার হতে 13 Minutes  লাগবে । এবং Speed-5.45MB/Second
একটি কম্পিউটার থেকে একই ফাইল/ডাটা একই পেনড্রাইভে ট্রান্সফার করা হচ্ছে । কিন্ত দুইটির সময়ের  অনেক সময় পার্থক্য কেন ?
এর উওর টা দেখুন এখানে- আপনি যদি Windows 7 এ পেনড্রাইভে ডাটা ট্রান্সফার করার গতি বাড়াতে চান তাহলে আপনাকে যেতে হবে পেনড্রাইড ফরমেট করার অপশনে । যেখানে গিয়ে নিয়মিত পেনড্রাইভ ফরমেট করে থাকেন । সাধারনত আমরা যখন পেনড্রাইভ ফরমেট করি তখন File system দেয়া থাকে FAT32(Default) (নিচের ছবি দেখুন)

2013-07-30_184121
আপনাকে এখন NTFS সিলেক্ট করতে হবে (নিচের ছবি দেখুন)  এবং সাভাবিক নিয়মে পেনড্রাইভটি ফরমেট করুন ।
2013-07-30_184211শুধুমাত্র এই নিয়মে পেনড্রাইভ ফরমেট করে Windows 7 এ পেনড্রাইভে দ্রুত ডাটা ট্রান্সফার করা সম্ভব Smile1 এবার নিজের পিসিতে পরীক্ষা করে দেখুন । আশাকরি আমার এই টিপছটা আপনাদের অনেক কাজে আসবে ।

ফ্যাক্স করুন ফ্যাক্স-মেশিন কিংবা ফোন লাইন ছাড়াই সম্পূর্ণ ফ্রি-তে


ইমেইল, এসএমএস এর যুগে ফ্যাক্স এর গুরুত্ব কমে গেলেও এখনো আমাদের অফিশিয়াল কাজে বিভিন্ন সময় ফ্যাক্স এ তথ্য আদান প্রদান করতে হয়। এজন্য আমরা অনেকেই ফ্যাক্স মেশিন ক্রয় করি নতুবা ফ্যাক্সের দোকানে যাই। তবে আমরা চাইলে ফ্রি-তেই শুধু মাত্র আমাদের কম্পিউটার আর ইন্টারনেট ব্যবহার করেই ফ্যাক্সের কাজ সেরে নিতে পারি বিনা পয়সায়।
fax-and-copier-machine

ফ্যাক্স মেশিন যেভাবে কাজ করে

যে মেশিন থেকে ফ্যাক্স পাঠানো হবে সেটি একটি টেলিফোন লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকে যেটি অপর পাশের কোন ফ্যাক্স মেশিনে তথ্যা আদান-প্রদানের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। প্রেরক মেশিনটি টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে কল করে প্রাপক মেশিনটিকে। এরপর প্রাপক মেশিনটি ফ্যাক্সটি গ্রহণ করে এবং এর সাথে সংযুক্ত প্রিন্টারের সাহায্যে প্রিন্ট করে নেয়।
উন্নত দেশগুলোতে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী টিমোথি বার্নার্স লী ইন্টারনেট আবিস্কারের পূর্বে এই পদ্ধতিতেই তথ্য বিশেষতঃ ডকুমেন্ট আদান-প্রদান হত। এজন্য প্রেরক প্রথমে ডকুমেন্টটিকে টাইপ করত এরপর ফ্যাক্স মেশিনে স্ক্যান করে প্রাপকের ঠিকানায় পাঠাত। প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিন প্রাপ্ত ফ্যাক্সটিকে প্রিন্ট করত এবং প্রাপক ডকুমেন্টটিকে নিজের কম্পিউটারে সংরক্ষণের জন্য হয়তো আবারো স্ক্যান করে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করতেন। এ পদ্ধতিতে অনেক সময় লাগত এবং বারবার একটি ডকুমেন্টকে স্ক্যান এবং প্রিন্ট করা লাগত বিধায় ডিজিটাল কপির কোয়ালিটি নষ্ট হত।
আজকাল অবশ্য আমরা চাইলে ইমেইলের মাধ্যমে খুব সহজেই কোন ডিজিটাল ডকুমেন্টকে এটাচমেন্ট হিসেবে পাঠাতে পারি। অনেকে ফ্যাক্সকে সুরক্ষিত যোগাযোগ পদ্ধতি মনে করেন। কিন্তু, আসলে টেলিফোন লাইনে আড়ি পাতলে গোপনীয় ফ্যাক্সকেও চুরি করা যায়। এক্ষেত্রে ইমেইল অনেক বেশি সুরক্ষিত মাধ্যম।
যেহেতু ফ্যাক্স মেশিনকে  শুধুমাত্র টেলিফোন লাইনের সাথে সংযুক্ত করা যায়, তাই একে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করার কোন মাধ্যম নেই। সুতরাং, অনলাইনের মাধ্যমে ফ্যাক্স করতে আমাদের এক ধরণের গেটওয়ের প্রয়োজন পড়বে যেটা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডকুমেন্ট গ্রহণ করতে পারবে এবং ফ্যাক্স মেশিনে এটি প্রেরণে সক্ষম হবে। এক্ষেত্রে আমাদের শুধু একে ডকুমেন্টটা দিতে হবে, বাকি ডায়ালিং এবং তথ্য প্রেরণের কাজগুলো এই গেটওয়েই করে নিবে।
junk-scanner-and-fax-machine
আপনি চাইলে আপনার কম্পিউটারের মাধ্যমেও ফ্যাক্স করতে পারেন। উইন্ডোজের সাথেই বাই ডিফল্ট ফ্যাক্স এবং স্ক্যান প্রোগ্রাম আছে। তবে এজন্য আপনার কম্পিউটারটি টেলিফোন লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকতে হবে এবং আপনার প্রয়োজন হবে একটি ডায়াল-আপ ফ্যাক্স মডেম। আপনার একটা ল্যান্ডলাইন টেলিফোন লাইনও প্রয়োজন পড়বে এবং ফ্যাক্স পাঠানোর সময় অন্যকেউ এই ফোনটি ব্যবহার করতে পারবে না। যদি আপনি অনেক বেশি পরিমাণে ফ্যাক্সের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে থাকেন তবেই আলাদা কোন ফোন লাইন ব্যবহার করা যুক্তিসংগত হবে।

ফ্যাক্স করতে ইচ্ছুক এমন ডকুমেন্টটি স্ক্যান করুন অথবা কোন ডিজিটাল ফাইলকে ব্যবহার করুন

যেই ডকুমেন্টটি ফ্যাক্স করতে চান তা স্ক্যান করুন। যদি আপনার কাছে স্ক্যানার না থাকে তাহলে স্ক্যানার এর পরিবর্তে ভাল মোবাইল ক্যামেরা কিংবা ডিজিটাল ক্যামেরাকেও ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি আপনার ডকুমেন্টটার ডিজিটাল কপিই থাকে তাহলেতো কোন কথাই নেই। শুধু সার্ভিস গেটওয়েকে দিয়ে দিন, ঐটাই আপনার ফ্যাক্সের সব কাজ করে দেবে।
scanner

ফ্রি-তে অনলাইনের মাধ্যমে ফ্যাক্স পাঠান

বেশিরভাগ অনলাইন ফ্যাক্স সার্ভিসই ফ্যাক্স করার জন্য টাকা চায়। যদি আপনার মাঝে মধ্যে ফ্যাক্স পাঠাতে হয়, তাহলে আপনি হ্যালোফ্যাক্স-কে ব্যবহার করতে পারেন। এটা আপনাকে প্রতি মাসে ফ্রি-তে পাঁচ পৃষ্ঠা ফ্যাক্স করতে দিবে। বেশিরভাগ ব্যবহারকারীর জন্য মাসে পাঁচ পৃষ্ঠা ফ্যাক্সই যথেষ্ট। এই ওয়েব-সাইটের মাধ্যমে ফ্যাক্স করতে ওদের ওয়েব-সাইটে একটা একাউন্ট খুলুন, আপনার ডকুমেন্টটির ছবি আপলোড করুন এবং কাংখিত নাম্বারটি ফ্যাক্স করার জন্য দিন।
send-a-fax-online-for-free
হ্যালোফ্যাক্স ৩০ দিনের ট্রায়ালে অন্যান্য প্রিমিয়াম সার্ভিসও প্রদান করে থাকে। তাই আপনার আরো বেশি ডকুমেন্ট পাঠাতে হলে আপনি ট্রায়াল পিরিয়ডও ব্যবহার করতে পারবেন।
যদি আপনার পাঁচের অধিক ফ্যাক্স পাঠাতে হয়, তবে আপনি ফ্যাক্সজিরো ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনাকে প্রতিদিন পাঁচটি তিন পৃষ্ঠার ডকুমেন্ট ফ্যাক্স করতে দিবে সম্পূর্ণ ফ্রি-তে। এজন্য আপনার কোন একাউন্টও খোলা লাগবে না। তবে এই সার্ভিসটির একটি অন্যতম অসুবিধা হল, এটি প্রতিটি পৃষ্ঠায় ফ্যাক্সের সাথে এড সংযুক্ত করে দিবে। আপনি যাকে ফ্যাক্স করছেন তার উপর নির্ভর করে এ ধরণের এড এ কোন আপত্তি আছে কিনা।

ফ্যাক্স গ্রহণ

ফ্যাক্স গ্রহণ করতে চাইলে  আপনাকে টাকা খরচ করতে হবে, কারণ এজন্য এসব সার্ভিস কোম্পানিকে আপনার জন্য একটি লাইন উন্মুক্ত রাখতে হবে সবসময়। হ্যালোফ্যাক্স সহ অনেক সার্ভিসে এরকম রিসিভ করার সুবিধা পাবেন অল্প কিছু চার্জের বিনিময়ে। সৌভাগ্যবশতঃ হ্যালোফ্যাক্স ৩০ দিনের ট্রায়াল পিরিয়ডে আপনাকে ফ্যাক্স গ্রহণ করতে দিবে সম্পুর্ণ ফ্রি-তে।
আপনি চাইলে আপনার ফ্যাক্সটিকে ডিজিটাল সাইনিং করে দিতে পারেন। হ্যালোফ্যাক্স এর সাথে হ্যালোসাইন নামের একটি সার্ভিস পাবেন। অর্থাৎ আপনি এক ওয়েব-সাইটে ডিজিটাল সাইনিং ও ফ্যাক্স পাঠানো উভয়ই করতে পারবেন। উল্লেখ্য, ডিজিটাল সাইনের মাধ্যমে আপনার ডকুমেন্ট এর বিশ্বস্ততা সম্পর্কে প্রাপক নিশ্চিত হতে পারে। হ্যালোফ্যাক্স ছাড়াও আরো অনেক সার্ভিসই একই রকম সুবিধা দেয়। এরকম ওয়েব-সাইটের ঠিকানা গুগলে সার্চ করলে পাবেন। তবে হ্যালোফ্যাক্স এর ডিজাইনটি অনেক আধুনিক এবং এদের সার্ভিসও অন্যান্যদের চেয়ে অনেক, অনেক ভাল।
[উল্লেখ্য, এ পোস্টটি প্রথম http://asadulhoque.tk/computer/1879.html লিংকে প্রকাশিত হয়।]

কিছু পেইড ও ফ্রি এন্ডয়েড আপ্পস ডাউনলোড করে নিন ।


কেমন আছেন সকলে নিশ্চয় ভাল।
আজকে আমি আপনাদের কিছু এন্ডয়েড এর পেইড আপ্স দিব একদম ফ্রি তে, তো আসুন জেনে নেয়া যাক আপ্পস গুলো সম্পর্কে।
Shine Runner V 1.4
আপনি যদি নৌকা, বা বোর্ড চালাতে ভালবেসে থাকেন তাহলে এই গেম টি আপনার জন্নে। পানির মধ্যে মারামারি এবং আর কত কিছু। এক কথায় অসাধারণ এক গেম এটি। গেমটি খেলে আপনি অনেক মজা পাবেন, এবং সময় ও কাটবে সুন্দর ভাবে। গেম টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিসিট করুন Google Play Store.
গেমটির মার্কেট প্রাইছ হোল 0.99$ কিন্তু সমস্যা নেই এখানে আপনাকে আমি ফ্রি তেই এর apk ভার্সন টা দিছচি,আপ্নার কাজ শুধু ডাউনলোড করে ইন্সটল দেয়া।আপ্পস টির সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে গুগল প্লে স্টোর ভিসিট করতে পারেন এখান থেকে।
ডাউনলোড সম্পর্কে বিস্তারিত :
ডাউনলোড সার্ভার :- fileswap
ডাউনলোড সাইজ :-25.67 MB
ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে:- ডাউনলোড হেয়ার
     Active lockscreen:
আপনার স্কিন কে সহজেই লক করুন আপনার পসন্দের ফাইল গুলোকে সামনে রেখে। এর মাধ্যমে আপনার লক স্কিন এ আপনার পসন্দের ফাইল গুলো শোও করবে এবং বাকিগুলো লক খুল্লে দেখতে পারবেন আপ্পস টি ফ্রি তো চিন্তা নেই। আপ্পস টির সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিসিট করুন গুগল প্লে স্টোর এখান থেকে
ডাউনলোড সম্পর্কে বিস্তারিত :
ডাউনলোড সার্ভার :- fileswap
ডাউনলোড সাইজ :-2.54 MB
ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে:- ডাউনলোড হেয়ার
                                                                              GPS Speedometer:
এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন আপনার প্রিয় মোবাইলটির স্পীড কেমন, সব ঠিক ঠাক আছে কি না। বা এর স্পীড কমে গেছে কি না। আপনার গেম, সফটওয়্যার বা অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় আপ্পস এর কারনে আপনার মোবাইল এর স্পীড এর কোন সমস্যা হচ্ছে কি না সব দেখতে পারবেন এখান থেকে। আপ্পস টির সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিসিট করুন গুগল প্লে স্টোর এখান থেকে
ডাউনলোড সম্পর্কে বিস্তারিত :
ডাউনলোড সার্ভার :- fileswap
ডাউনলোড সাইজ :- 2.86 MB
ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে:- ডাউনলোড হেয়ার

অ্যান্ড্রয়েড গেম রিভিউ – স্নাইপার শ্যুটার


আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন।  আজকে অ্যান্ড্রয়েডের একটি জনপ্রিয় মজার গেম নিয়ে রিভিউ দিব যার নাম স্নাইপার শ্যুটার। নাম শুনে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যে গেমে আপনাকে একজন স্নাইপারের ভূমিকায় খেলতে হবে। গেমটি তৈরি করেছে ফান গেমস ফর ফ্রি নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
a
গেমটির গেমপ্লে খুবই সহজ। ৯ টি স্টেজ বা চ্যাপ্টার আছে। প্রতিটি স্টেজে আলাদা আলাদা মিশন আছে। আপনার কাজ হবে প্রতিটি স্টেজের প্রতিটি মিশন সফলভাবে শেষ করে নেক্সট স্টেজে যাওয়া। মিশনের শুরুতে আপনাকে বলে দিবে যে কি করতে হবে। আসলে মূল কাজ হলো সন্ত্রাসীদের গুলি করে মেরে ফেলা। আপনি আপনার ফোন বা ট্যাব কাত করার মাধ্যমে রাইফেলের মুভমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। আর রাইফেলের পজিশন টার্গেটে ঠিক করার পর গুলি করবেন স্ক্রিণে ট্যাপ করার মাধ্যমে। মোটামুটি এইভাবে প্রতিটা মিশনের চাহিদা ও শর্ত অনুযায়ী আপনাকে গুলি করে সন্ত্রাসীদের মেরে ফেলতে হবে।
a
a
কি পানসে বলে মনে হচ্ছে? যতটা সহজ বলে মনে করছেন গেমটা ঠিক ততটাই কঠিন। ফোন বা ট্যাব কাত করে করে রাইফেলের পজিশন ঠিক করা যেমন কঠিন ঠিক তেমনি রাইফেলের পজিশন ঠিক রেখে গুলি চালানোও কঠিন। এখানে অনেক টাস্কে সাবজেক্ট মুভ করে। ফলে আপনাকে হেটে চলা বা দৌড়ানো সন্ত্রাসীদেরকেই গুলি করতে হবে। দুঃসাধ্য বটে! খালি তাইই নয়, একাধিক সন্ত্রাসীদের গুলি করে সাফ করে ফেলাটাও চাট্টিখানি কথা নয়।
a
a
তবে গেমে কোন চ্যালেঞ্জ না থাকলে সেটাকে কি ভাল গেম বলা যায় বলুন? গেমটা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ও মজার। প্লে স্টোর রেটিংও একই কথা বলে। আশি হাজার ইউজার এই গেমকে ফাইভ স্টার রেটিং দিয়েছে। তাই যদি না খেলে থাকেন তাহলে আজই প্লে স্টোর থেকে নামিয়ে খেলতে থাকুন। গেমটি ফ্রিতেই ডাউনলোড করতে পারবেন। স্নাইপার শ্যুটার খেলার জন্য অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন অবশ্যই ২.২ ও এর উপরে হতে হবে। আমি আমার গ্যালাক্সি ওয়াইতে খেলতে পারেনি তার মানে গেমটি চালাতে একটু ভাল প্রসেসর ও বেশি র‍্যামই দরকার। গেমটি অ্যাপল আইওএস ব্যবহারকারীরাও খেলতে পারবেন।
তো আর দেরি কেন? কিছুক্ষণের জন্য হয়েই যান না দুর্ধর্ষ স্নাইপার!
ডাউনলোড করুনঃ স্নাইপার শুটার